Table of Contents
মাতৃত্ব: আমার স্বপ্ন
আর পাঁচটা বিবাহিত নারীর মতোই মাতৃত্ব ছিল আমার স্বপ্ন। বিয়ের ১২ বছর পর আমার প্রথম মাতৃত্ব।গর্ভে এলো যমজ সন্তান।আমার ওজন কতটা বেড়েছিল! বাচ্চাদের ওজনই বা কত ছিল! কত সপ্তাহে ডেলিভারী করা হল! জানতে পড়ে দেখুন আমার অভিজ্ঞতার কথা।
বিয়ের বেশ কয়েক বছর পরের কথা। সমুদ্রের ধারে কিংবা পাহাড়ে বেড়াতে গেছি, আমার হাসব্যান্ড হয়ত হোটেলের ঘরে বসে খেলা দেখছে, তখন আমার খুব মনে হতো, যদি আমার একটা মেয়ে থাকত, তাহলে তাকে নিয়ে সমুদ্রের পারে গিয়ে বসে থাকতাম কিংবা পাহাড়ে একটু হেঁটে আসতাম।
আবার রোজ সকালে যখন সাঁতার কাটতে যেতাম, দেখতাম, যে মায়েদের সাঁতার কাটা দেখছে তাদের ছোট্ট মেয়েরা, তখনও খুব মনে হতো, আমারও যদি একটা মেয়ে থাকত।
মাতৃত্ব: দীর্ঘ অপেক্ষা
বিয়ের পর দীর্ঘ ১২ বছর কেটে গেল সেই শুভক্ষণ আসতে। সেই সময়ের মানসিক যন্ত্রণা ভোলার নয়, তার সাথে যুক্ত হয়েছিল নানান অপারেশনের শারীরিক কষ্টও।
এই অবস্থায় কেউ বলেছিল, আমার নিজের সুখের জন্য আমি সন্তান নিতে আগ্রহী নই, কেউবা আবার বন্ধুত্ব ত্যাগ করেছিল আমি নিঃসন্তান বলে। কষ্ট পেয়েছিলাম কিন্তু কখনও ভেঙে পড়িনি জানেন।
এতকিছুর পরেও কোনোদিনও কোনো উপোস করিনি বা কোনো বিশেষ মন্দিরে গিয়ে ঢিল বেঁধে মানত করিনি। শুধুমাত্র ঈশ্বর আর আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার উপর ভরসা রেখেছি।
যখন গাইনোকোলোজিস্টের কাছে যেতাম, দেখতাম ডাক্তারের চেম্বারে প্রেগন্যান্ট মায়েরা বসে আছে। আবার কারও কোলে হয়ত ছোট্ট শিশু ঘুমোচ্ছে।
তাদের দিকে তাকিয়ে ভাবতাম, আমারও একদিন এই অনুভূতি হবে।কোনোদিনও হতাশ হইনি।
প্রেগনেন্সির দিনগুলো
অনেক বন্ধুর পথ পেরিয়ে, বহু মানুষের সংশয় ভেঙে ২০২১ সালে অবশেষে অনুভব করলাম আমার গর্ভে যমজ সন্তানের অস্তিত্ব।
বাইরে তখন কোভিড- ১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। কম বয়সী মানুষেরও মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। চারিদিকে মানুষের মনে আতঙ্ক, ‘এই বুঝি আক্রান্ত হলাম’। প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বেরোনো নিষেধ। প্রয়োজনের সপক্ষে প্রমাণ না দিতে পারলে পুলিশ পথ আটকাচ্ছে।
এই অবস্থায় প্রতিবার স্ক্যান করাতে যাওয়া ছিল এক চিন্তার বিষয়। এদিকে যমজ শিশুর স্ক্যান করাতে একেক দিন দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হত। হয়ত একজনের স্ক্যান করা হয়ে গেছে, কিন্তু আরেকজনের ঘুম না ভাঙায় স্ক্যান করা যাচ্ছে না।
এবার তার ঘুম ভাঙাতে কখনও পায়চারি করতে হত, আবার কখনোবা মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে হতো। হাতে অন্ততঃ ৪-৫ ঘণ্টা সময়তো নিয়ে যেতে হতো। এন. টি. স্ক্যান, এনোমালি স্ক্যান করাতে তো প্রচুর সময় লেগেছিল।
তবে একটাই ভালো ব্যাপার যে, যেখানে আমার স্ক্যান করানো হত, সেখানে সাথে সাথেই রিপোর্টটা দিয়ে দিত, পরে আনতে যেতে হতো না।
ওদিকে আমার ডাক্তারবাবুর বয়স ছিল তখন ৭৪ বছর। উনিও খুব সতর্ক থাকতেন আমাকে নিয়ে। খুব প্রয়োজন নাহলে আমাকে চেকআপে যেতেও বারণ করতেন। আমার হাসবেন্ড গিয়ে রিপোর্ট দেখিয়ে আসলেই চলত।
শারীরিক পরিবর্তন
আমার প্রেগনেন্সির সময়ে কোনোদিনও বমি তো হয়নি, এমনকী কোনও অরুচিও ছিলনা। উল্টে প্রচন্ড খিদে পেত প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর অন্তর। আর না খেলে প্রেশার পর্যন্ত নেমে যেত।
ফলে প্রতি দু’ঘন্টা অন্তর কী খাব আমাকে আগে থেকে তা ভেবে রাখতে হত। এই সময়ে আমি প্রচুর কার্বোহাইড্রেট খেতাম।
এইভাবে ভালো করে খেয়েদেয়ে প্রেগনেন্সির শেষদিকে আমার ওজন ২৫ কেজি বেড়ে হল ৯০ কেজি। যখন মাত্র ৩২ সপ্তাহ, তখনই গর্ভে বাচ্চাদের ওজন প্রায় ২ কেজি হয়ে গেল।
তখন ডাক্তারবাবু বললেন, কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে প্রোটিন খাওয়া বাড়াতে যাতে ওজন বেশি না বাড়ে।
এছাড়াও শারীরিক কিছু সুবিধে অসুবিধে ছিল। কোমরে আর কক্সিসে ব্যথা ছিল শুরুর দিন থেকে। ডেলিভারির পরও এই ব্যাথা কমাতে আমাকে কষ্ট করতে হয়েছে।
শেষ দিকে প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হত, বিশেষত ঘুমোনোর সময়ে। এজন্য প্রায়ই মাঝরাতে উঠে বসে থাকতাম।
আর সবসময়ে খুব গরম লাগত। এমনকী শেষদিকে ডিসেম্বর মাসেও ফ্যান চালিয়ে ঘুমোতাম।
এসময়টা বাড়ির মানুষজনের সাহায্যের খুব প্রয়োজন হয়। আমার ক্ষেত্রে সকলেই খুব যত্ন করেছে।
মাতৃত্ব আসন্ন
আমার শ্বশুর বাড়িতে নবম মাসে সাধ খাওয়ায়, এদিকে পৌষ মাস না পড়লে না’মাস হবে না। অন্যদিকে ডাক্তারবাবু আবার আমার অবস্থা দেখে ৩৫ সপ্তাহেই ডেলিভারি করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ওটি বুক করে দিলেন, আর বলে দিলেন খুব সাবধানে থাকতে ।
যাই হোক, হসপিটালে ভর্তি হওয়ার তিনদিন আগে পৌষ মাস পড়ল। আর মাস পড়তে না পড়তেই মাত্র কয়েকজন আত্মীয়স্বজনকে ডেকে আমাকে সাধ খাওয়ানো হলো।
এদিকে আবার আরেক বিপত্তি বাঁধিয়ে বসলাম। পরদিন বাসি মাছ খেয়ে সাংঘাতিক পেট খারাপ হল। সবার টেনশন আরো বেড়ে গেলো।
তার পরদিন কোভিড টেস্ট করতে দেওয়া হলো। অনলাইনে রিপোর্ট আসলে তারপর ভর্তি হতে পারব।সেদিন সকাল সকাল লট বহর গুছিয়ে বাবা মায়ের কাছে চলেও গেলাম।
কিন্তু দুঃখের বিষয় মায়ের হাতে সাধ খাওয়া হল না। যেদিন মায়ের কাছে সাধ খাওয়ার কথা ছিল, সেদিন পেট এত খারাপ ছিল যে, সারাটাদিন ভাত আর কাঁচা কলা সেদ্ধ খেয়ে থাকতে হল। তবু অন্তত এভাবে পরিস্থিতি সামলে গেলো।
বিকেল থেকে আরেক টেনশন শুরু হলো।কোভিড টেস্টের রিপোর্ট আসছেনা। সেই দিনটা ছিল রবিবার। যাইহোক বার বার ফোন করে করে রিপোর্ট পেতে রাত হয়ে গেল।
হাসপাতালে ভর্তি
বাপের বাড়ির কাছে বলে পিয়ারলেস হসপিটালে আমার ওটি বুক করা ছিল। ভর্তি হলাম পরদিন অর্থাৎ সোমবারে। বুধবার সকাল সকাল অপারেশন হওয়ার কথা। যমজ বাচ্চা আছে বলে ডাক্তারবাবু আগে ভাগেই ভর্তি করে নিয়েছিলেন।
ওই দু’দিন ধরে বারে বারে বাচ্চাদের হার্টবিট চেক করা হল, সাথে আমার প্রেসারও মাপা হল। আমার জন্য বারে বারে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হল। নির্ভয়ে কেটে গেল এই দুটো দিন।
অপারেশন থিয়েটার
বুধবার অর্থাৎ ২২ শে ডিসেম্বর সকাল সাড়ে আটটায় ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো সকাল সকাল স্নান সেরে নিলাম। ওটির গাউন পড়ানো হল, চুল বেঁধে অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করা হল। হাতে স্যালাইনের জন্য চ্যানেল করা হল।
কিন্তু ডাক্তারবাবুর ইমার্জেন্সী রোগী দেখে আসতে দেরি হওয়ায় আমাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যেতে যেতে সকাল ১০ টা বাজল। বাড়ির লোকজনতো সকাল সকালই হাসপাতালে পৌঁছে গেছিল।
প্রথমে কোমরে স্পাইনাল কর্ডে ইঞ্জেকশন দেওয়া হল। কোমর থেকে পা পর্যন্ত অবশ হয়ে গেল মুহূর্তেই। তারপর আমাকে বেডে শুইয়ে দিল। বুকে ই. সি. জি. মেশিনের তার লাগানো হল।
সবশেষে পেটের সামনে একটা সবুজ পর্দা লাগানো হলো, যাতে আমি অপারেশন দেখতে না পাই। শুরু হল অপারেশন।
মাতৃত্ব: স্বপ্ন সফল
আমার কোনো টেনশন নেই তখনও। শুধু একটাই চিন্তা, আমার যেনো একটা মেয়ে অন্তত হয়। প্রথম সন্তানই হলো মেয়ে।
ডাক্তারবাবু মজা করে বললেন ‘সুচিত্রা সেন এসে গেছে, এবার মনে হয় উত্তম কুমার আসবে।’ জুনিয়র মহিলা ডাক্তার বললেন, ‘কি যে বলেন স্যার, সুচিত্রা সেনের ভাই উত্তম কুমার কি করে হবে, সৌমিত্র বা শুভেন্দু হতে পারে।’
আমি তখন উৎসুক হয়ে রয়েছি দ্বিতীয়জনের অপেক্ষায়।দ্বিতীয় সন্তান ছেলে। তার চিৎকার মুহূর্তে সকলকে তার অস্তিত্ব জানিয়ে দিল।
দুজনেরই মুখ প্রথম দেখলাম আমি। কী প্রশান্তি! এত বছরের অপেক্ষা সার্থক হলো।
আরও কিছু সময়ের পরে আমাকে বেডে দেওয়া হলো। নাকে অক্সিজেন নল লাগানো।
তখনও জানিনা ওদিকে কি ঘটেছে। ঘুমের ইঞ্জেনকশন এর প্রভাবে আমি তখন তন্দ্রাচ্ছন্ন।
আগে থেকে আয়ার ব্যবস্থা করা ছিল বাড়িতে। ৫ দিনের মধ্যেই তো দুজনকে নিয়ে বাড়ি চলে যাবো জানতাম। কিন্তু বাস্তবে তা হলোনা।
NICU-র অভিজ্ঞতা
বিকেলের দিকে জানতে পারলাম, দুজনকেই NICU অর্থাৎ Neonatal intensive care unit এ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মেয়ের অবস্থা সঙ্কটজনক। ফুসফুসে ইনফেকশন আছে। ছেলে সুস্থ আছে, অবজারভেশনে আছে।
মেটার্নিটি ওয়ার্ডে সেদিন সদ্য মা হওয়া সকলের কোলে সন্তান ছিল, শুধু আমিই একা। আমার দুই সন্তানই তখন নিকুতে। সেই রাতটা আমার খুব অসহায় অবস্থা ছিল। ফাঁকা ঘরে খেতে ঘুমোতে খুব কষ্ট হচ্ছিল।
পরদিন চাইল্ড স্পেশালিস্টের সাথে ফোনে কথা বললাম, তিনি কোনও আশার কথা শোনালেন না। তাঁর মুখে তখনও একটাই কথা, ‘এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি ভাল নয়, ৭২ ঘণ্টা না কাটলে কিছু বলা যাবে না’।
মাতৃত্ব ও মানসিক জোর
আমি তখন মন খারাপ নিয়েও খেতে ঘুমোতে বাধ্য হই। আর ঈশ্বরকে বলি ‘তুমি ওদের সুস্থ করে দাও’। তিনদিনের দিন সকালে প্রথম ছেলেকে আমার কোলে দেওয়া হল। কিন্তু জানলাম মেয়ের অবস্থা তখনও খুবই সঙ্কটজনক। কোনও ওষুধই নাকি কাজ করছিল না। এবার মেয়েকে দেখতে যাওয়ার জন্য আমি অস্থির হয়ে উঠলাম।
অবশেষে আমাকে প্রতিদিন হুইল চেয়ারে করে নিকুতে নিয়ে যাওয়া শুরু হলো। তবে ঝাঁকুনিতে পেস্টিংয়ের জায়গায় খুব যন্ত্রনা হতো। কিন্ত নিজের শারীরিক কষ্ট তখন তুচ্ছ, শুধুই মেয়েকে দেখার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছি। বুঝলাম একেই বলে মাতৃত্ব।
NICU র ভিতরে
হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে-মুছে, মাথায় টুপি পরে, মুখে মাস্ক দিয়ে তবে নিকুর ভিতরে ঢুকতে দিত। মেয়েকে দেখলাম কাঁচের ট্রেতে শুয়ে আছে।
খালি গা, নাকে মুখে নল লাগানো, বুকে আর পায়ে তার লাগানো। মনিটরে হার্টবিট আর অক্সিজেন লেভেল দেখা যাচ্ছে। মেয়ে তখনও বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে পারে না, খেতেও পারে না। সবই নলের সাহায্যে। হাতে আবার চ্যানেল করা।
দেখে চোখের জল আর বাঁধ মানে না। প্রথমবার স্পর্শ করলাম, শিউরে উঠল। সারা গায়ে হাত বুলিয়ে দিয়ে মনে মনে বললাম, ‘আমি তো আছি তোমার পাশে, আমাদের একসাথে বাড়ি যেতে হবে তো, তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠো।’
চিকিৎসার ফল
পরদিন ডাক্তারবাবু জানালেন, ওষুধ কাজ করতে শুরু করেছে। আমার মনে হলো, ও যেনো আমার অপেক্ষাতেই ছিল।চিকিৎসা চলতে লাগল। আমি প্রতিদিন একবার করে দেখে আসতাম, কোলে নিতাম।
বাকি সময়টা শুধু ছেলেকে নিয়ে কাটাতাম। রোজ আমার ডাক্তারবাবুও এসে বলে যেতেন মেয়ের শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা।
একটু একটু করে বাইপ্যাপ, সি-প্যাপ ছেড়ে বাতাসের অক্সিজেন নিতে শুরু করলো। মনিটরে ৮২ বেড়ে একদিন ৯৯ হলো। ৯ দিন কেটে গেছে তখন।
আমি ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যাইনি। আবার ভর্তি হয়ে হাসপাতালেই ছিলাম মেয়েকে সাথে নিয়ে ফিরব বলে। এদিকে বছর শেষের মেজাজে ওয়ার্ডগুলোতে সাজসাজ রব তখন।
বাড়ি ফেরার পালা
অবশেষে ৩০শে ডিসেম্বর মেয়েকে নার্সারিতে দিয়ে দিল। আমার বাপের বাড়িতে তখন নাতি – নাতনির আগমনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল।
৩১শে ডিসেম্বর বিকেলে দু’জনকে নিয়ে আমরা বাবা-মায়ের কাছে গিয়ে উঠলাম। তখন আবার কোভিডের তৃতীয় ঢেউ চলছে তখন। দেড় মাস ছিলাম ওখানে। তারপর শ্বশুরবাড়ি ফিরে এলাম।

মাতৃত্ব: দিনযাপন
দু’জনের বর্তমান বয়স তিন বছর, প্রি–স্কুলে যায়। সারাটা দিন কথার খৈ ফুটছে। দুজনেই খুব দুরন্ত। আয়া থাকা সত্ত্বেও সকলেরই সদা ব্যস্ততায় দিন কাটছে। আমারও সারাটা দিন কাটে ওদেরকে কেন্দ্র করেই।
মাতৃত্ব এবং মি-টাইম
তবুও নিজের জন্য সময় বের করাটা খুব জরুরী। ভোরবেলাটা আমার নিজস্ব সময়।এই সময়ে আমি বই পড়ি, মেডিটেশন করি, লেখালিখি করি। আবার গরমকালে সাঁতারে যাই। এই লেখাটাও ভোর সাড়ে পাঁচটায় ছাদে পায়চারি করতে করতে লিখেছি।
পড়ুন আমাদের কথা।About Us
আরও কিছু কথা
আমার এই মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার কথাগুলো পড়ার জন্য আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের অভিজ্ঞতার কথাও শুনতে চাই। কোনও প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন, আমি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। আমাদের ফেসবুক পেজে কিংবা ইনস্টাগ্রামেও জানাতে পারেন।
সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্ক
https://www.facebook.com/twinbabyjournal
https://www.instagram.com/twinbaby_journal
https://youtube.com/@twinbabyjournal
আমি দেবাঞ্জনা রায়- যমজ সন্তানের মা। আমি ঘুরে বেড়াতে, বই পড়তে এবং সাঁতার কাটতে খুব ভালোবাসি। আর ভালোবাসি নিজের অভিজ্ঞতা লিখে রাখতে। এখানে আমার দুই সন্তানকে বড় করে তোলার নানান অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেব আপনাদের সাথে। পড়ুন টুইন বেবি জার্নাল
Discover more from Debanjana Roy-Motherhood Journey
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

কী অপূর্ব লিখেছো। খুব ভালো লাগলো। আরও লেখো। খুব ভালো থেকো সবাই। শুভ মাতৃ দিবস🥰🥰🥰🥰🥰
এক নারীর মা হয়ে ওঠার কথা সুন্দর রূপ পেয়েছে দেবাঞ্জনার কলমে। এত অল্প কথায় মায়ের মনের দোলাচল, সন্তানের জন্য আকুতি তারই পাশাপাশি আধুনিক যুগেও কিছু মানুষের সংকীর্ণ মানসিকতার প্রতিফলনের কথাও বাদ যায়নি। আরও অনেক লেখার আশায় রইলাম।
My eyes are fiil with tears….I know how wonderful fighter you are…..you deserve to celebrate this achivement. Many a congratulations my dear friend.
I just loved it! Well written .Enjoy every moment with your little ones and keep sharing your experiences with your beautiful write-ups.
Ki sundar bhabe tomar journey ta tule dhorecho… osadharon ❤️
Porte porte akdum tomar experience er sathe mishe gelam…. khoob sundar.
তোর লেখা পড়ে আমার সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেলো । বাচ্চাকে কাছে না পাওয়ার যে যন্ত্রণা যাদের বাচ্চা NICU তে থাকে তারা জানে। তাই ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি সবার বাচ্চা যেনো সুস্থভাবে জন্মায়…NICU তে থাকতে না হয়। খুব সুন্দর লাগলো রে পড়ে ।