Table of Contents
আমাদের কথা
আমাদের এই ওয়েবসাইটের ‘টুইন বেবি জার্নাল’ অংশে যমজ শিশু ও মায়ের জীবন যাপন এবং নানান সমস্যা ও তার সম্ভাব্য সমাধানের কথা আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।
আপনি কি প্রেগনেন্ট কিংবা সদ্য মা হয়েছেন? প্রথমেই আপনাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আপনারও কি টুইন প্রেগন্যান্সি কিংবা আপনিও কি সদ্যজাত যমজ শিশুর মা? কী ভাবছেন! যেখানে মানুষ একটি শিশু সামলাতেই হিমশিম খায়, সেখানে আপনি দু’জনকে সামলাবেন কীভাবে!
তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগত। পড়ে দেখুন আমার ব্লগগুলো। আমিও যমজ সন্তানের মা। ওদের বয়স এখন তিন বছর। আশা করি, আমার এই তিন বছরের অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের কাজে লাগবে।
মা ও যমজ শিশু
মা ও যমজ শিশুর জার্নিটা কিন্তু শুরু হয় প্রেগনেন্সির প্রথম থেকেই। তারপর সময়ের সাথে সাথে বন্ধন দৃঢ় হতে থাকে।
তবুও এই প্রেগনেন্সির দিনগুলো একরকম। এই সময়ে হবু মা শুধুমাত্র নিজের যত্ন নিলেই গর্ভস্থ বাচ্চাদের যত্ন নেওয়া হয়ে যায়।
কিন্তু সন্তান জন্মাবার পর থেকেই শুরু হয় আসল যুদ্ধটা। তখন আবার দু’জন শিশুর সাথে সাথে মায়ের নিজের যত্ন নেওয়াটাও খুব জরুরী হয়ে পড়ে।
অথচ নিজের দিকে তাকানোর সময় কোথায়! তাই ড্রাই স্কিন, চুল পড়ে যাওয়া, কোমরে ব্যাথা ইত্যাদি নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। তখন নিজের মধ্যে তৈরী হতে থাকে বিরক্তি। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
মনে রাখবেন, একমাত্র একজন সুখী মা -ই কিন্তু একটি বাচ্চাকে সুন্দর করে বড় করে তুলতে পারে। কিন্তু সবদিক ম্যানেজ করবেন কীভাবে!
এই সময়ে প্রয়োজন পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাহায্যের। বিশেষত বাচ্চার বাবাকে এগিয়ে আসতে হবে। সামর্থ্য অনুযায়ী লোকও রাখতে পারেন। তাহলে মায়েরও একটু বিশ্রাম হয়।
এছাড়া আপনাকে একটু টাইম ম্যানেজমেন্টও শিখতে হবে। আগে থেকে রুটিন তৈরী করে রাখতে হবে। চিন্তা করবেন না আমি এই ব্যাপারেও আপনাদের সাহায্য করব।
নানান প্রশ্ন
সময়ের সাথে সাথে নতুন মা – বাবার মনে নানারকম প্রশ্ন আসতে থাকে। কী আপনাদের মনেও নানা রকম প্রশ্ন আসে তো ! যেগুলোর উত্তর খুঁজতে আপনিও হয়ত অন্য কোনও অভিজ্ঞ মা – বাবার দ্বারস্থ হন। যেমন-
- দুজনকে একসাথে খাওয়াবো কীভাবে,
- দুজনকে একসাথে ঘুম পাড়াবো কীভাবে,
- একজন কাঁদলেই কি আরেকজনও কেঁদে ওঠে,
- দুজনের কি একসাথেই অসুখ করে,
- কবে ঘাড় শক্ত হবে,
- কবে থেকে সলিড খাবার দেবেন
- কোন বয়সে দাঁত উঠবে
- বসতে কিংবা দাঁড়াতে শিখবে কবে
- কথা বলতে শিখবে কবে
- কত বছর বয়সে স্কুলে দেবেন
গত তিন বছরের এরকম নানান প্রশ্নের ঝুলি নিয়ে আপনাদের সাহায্য করার জন্য আমার এই ‘টুইন বেবি জার্নাল’ তৈরী করা।
পড়ুন আমার অভিজ্ঞতা: মাতৃত্ব:স্বপ্ন-আর-বাস্তব
কী কী জানতে পারবেন এই Twin Baby Journal অংশটি থেকে?
এই টুইন বেবি জার্নাল অংশে আপনারা যমজ শিশু সংক্রান্ত নানান তথ্য এবং আমার অভিজ্ঞতার কথা জানতে পারবেন । যেমন –
-
- প্রেগনেন্সির সময়ে শারীরিক ও মানসিক নানান সুবিধে অসুবিধের কথা,
-
- হাসপাতালের দিনগুলোর কথা,
-
- NICU সম্পর্কে অভিজ্ঞতার কথা,
-
- শিশু প্রতিপালন বা পেরেন্টিং নিয়ে নানান তথ্য,
-
- বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস সম্পর্কে মতামত,
-
- এছাড়াও থাকবে মায়ের সুবিধের জন্য কিছু রুটিন। এগুলো আপনারা পিডিএফ ফর্মে ডাউনলোড করে নেবেন। তারপর নিজেদের মতো করে রুটিনটা বানিয়ে নেবেন।
তবে এইসব তথ্যগুলো যে শুধুমাত্র যমজ শিশুর মা-বাবার কাজে লাগবে তা নয়, যে কোনো শিশুর মা-বাবারই কাজে লাগতে পারে। তাই সকল নতুন মা-বাবা, দাদু-দিদা কিংবা দাদু-ঠাকুমাকেই জানাই সাদর আমন্ত্রণ।
এর পাশাপাশি বলে রাখি, আপনাদের অভিজ্ঞতাও কিন্তু আমার কাজে লাগবে। তাই আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।
কমেন্ট বক্সে কিংবা আমার ফেসবুক পেজেও আপনাদের কথা জানাতে পারেন। নিচে আমার সোশ্যাল মিডিয়া লিংক দিয়ে রাখলাম ।
মনে রাখবেন মা-ও একজন মানুষ, তাই তাঁরও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবে। তাই কোনও অবস্থায় নিজেকে দোষী না ভেবে মাতৃত্ব উপভোগ করুন।
এছাড়াও আপনাদের আর কোনও প্রশ্ন থাকলে আমার ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে সরাসরি মেসেজ করতে পারেন।
আমার সম্পর্কে জানতে হলে
আমি যমজ সন্তানের মা – বর্তমানে এটাই আমার অন্যতম পরিচয়। এছাড়া আমি আর কী কী করি! কীভাবে আমার এই ব্লগ লেখার জার্নিটা শুরু হল জানতে হলে পড়ে দেখুন আমার সম্পর্কে।
আমার সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্ক
ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আনন্দে থাকবেন আর আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেননা। সবশেষে বলি, আমার এই আর্টিকেলগুলো ভালো লাগলে অন্যান্য মা – বাবাদের সাথেও শেয়ার করবেন।
আমি দেবাঞ্জনা রায়- যমজ সন্তানের মা। আমি ঘুরে বেড়াতে, বই পড়তে এবং সাঁতার কাটতে খুব ভালোবাসি। আর ভালোবাসি নিজের অভিজ্ঞতা লিখে রাখতে। এখানে আমার দুই সন্তানকে বড় করে তোলার নানান অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেব আপনাদের সাথে। পড়ুন টুইন বেবি জার্নাল
Discover more from Debanjana Roy-Motherhood Journey
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
