Table of Contents
দার্জিলিং ভ্রমণ
আপনি কি দার্জিলিং ভ্রমণের কথা ভাবছেন! কীভাবে যাবেন? কোথায় থাকবেন? খরচ কেমন হবে ভাবছেন? তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে এই ব্লগটি পড়ুন! আশা করি আপনার সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
দার্জিলিং শব্দের উৎপত্তি
তিব্বতীয় শব্দ ‘দোর্জে‘ (অর্থাৎ হিন্দু দেবতা ইন্দ্রের বজ্রদণ্ড) ও ‘লিং‘ (স্থান বা দেশ) শব্দ দু’টি থেকে দার্জিলিং নামের উৎপত্তি। অর্থাৎ দার্জিলিং হল দেবরাজ ইন্দ্রের বাসভূমি।
দার্জিলিংয়ের অবস্থান
পশ্চিমবঙ্গের উত্তরে ৬,৭০০ ফুট উচ্চতায় দার্জিলিং শৈল শহরটি অবস্থিত। দার্জিলিং,কার্শিয়ং, কালিম্পঙ ও শিলিগুড়ি – এই চারটি প্রধান শহর নিয়ে দার্জিলিং জেলা গঠিত। দার্জিলিঙ জেলার উত্তরে সিকিম, দক্ষিণে বিহারের কিষাণগঞ্জ জেলা, পূর্বে জলপাইগুড়ি জেলা এবং পশ্চিমে নেপাল অবস্থিত।
মেঘমুক্ত আকাশপটে কাঞ্চনজঙ্ঘার নয়নাভিরাম দৃশ্য দার্জিলিংয়ের অন্যতম আকর্ষণ। এখানকার চা পৃথিবী বিখ্যাত। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ হল টয়ট্রেন। এটি ২০০৯ সালে UNESCO হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
দার্জিলিংয়ের আবহাওয়া
দার্জিলিংয়ের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ১৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। জুলাই মাসে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়। একটানা বৃষ্টির ফলে ধস নেমে প্রায়শই রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারীর মাঝে মাঝি সময়ে অনেকসময়ে তুষারপাতও হয়।
দার্জিলিং শহরের ইতিহাস
ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিক পর্যন্ত দার্জিলিং ছিল সিকিম রাজাদের অধীনে। মনোরম আবহাওয়ার কারণে ব্রিটিশ রাজ এখানে সৈন্যদের স্বাস্থ্য উদ্ধারের অভিপ্রায়ে একটি স্যানাটোরিয়াম এবং সৈন্য ঘাঁটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন।
পরবর্তীকালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী চুক্তির মাধ্যমে দার্জিলিং জেলাকে তৎকালীন বাংলা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত করেন। স্কটিশ মিশনারীদের সহায়তায় গড়ে ওঠে চার্চ, স্কুল ও ওয়েলফেয়ার সেন্টার।
বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদন শুরু করা হয় ১৮৫৬ সালে। চা ব্যবসায়ীরাও স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে এই দার্জিলিঙে।
১৮৬৫ সাল থেকে বাংলা প্রদেশের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী স্থানান্তরিত হয় দার্জিলিংয়ে। সমতলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে গড়ে তোলা হয় সড়কপথ। ঘোড়ায় টানা গাড়ি বা কার্টই ছিল তখনকার একমাত্র যানবাহন। যে পথে শিলিগুড়ি থেকে পাঙ্খাবাড়ি ও কার্শিয়ং হয়ে দার্জিলিং আসা হতো সেই পথই আজকের হিল কার্ট রোড।
মালপত্র পরিবহনের খরচ কমানোর স্বার্থে ১৮৭৯ সালে বাষ্পচালিত ন্যারোগেজ রেল পথের কাজ শুরু হয়। প্রথমে তিনধারিয়া পর্যন্ত রেলপথে টয় ট্রেন চালু হয়। পর্যায়ক্রমে কার্শিয়ং সোনাদা ঘুম হয়ে দার্জিলিং পর্যন্ত টয়ট্রেন চালু করা হয়। ১৮৮১ সালের ৪ঠা জুলাই দার্জিলিং যুক্ত হয় শিলিগুড়ির সাথে।
তখনও নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন তৈরী হয়নি। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন তৈরী করা হয় এবং কলকাতার সাথে ব্রড-গেজ রেলপথ চালু হয়।
টয় ট্রেন সম্পর্কে জানতে পড়ে দেখুন দার্জিলিং-টয়-ট্রেন
দার্জিলিং আসবেন কীভাবে
দার্জিলিঙের নিকটবর্তী রেল স্টেশন নিউ জলপাইগুড়ি। বিমানবন্দর হল বাগডোগরা। ভারতের বেশিরভাগ শহর থেকে বিমানপথে বাগডোগরা কিংবা রেলপথে পৌঁছতে হবে নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন। কিছু ট্রেন শিলিগুড়ি স্টেশন হয়ে গৌহাটি বা আলিপুরদুয়ার চলে যায়।
এছাড়া রকেট ভলভো বিভিন্ন ধরণের বাসে করেও কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি তেনজিং নোর্গে বাসস্ট্যান্ড চলে আসতে পারবেন।
বিমানবন্দর থেকে
বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৭৬ কিলোমিটার। গাড়িতে সময় লাগে আড়াই-তিন ঘন্টা মতন। বিমানবন্দর থেকে শেয়ার গাড়ি পাওয়া যায়না, তাই পুরো গাড়ি ভাড়া নিতে হয়। ভাড়া পড়ে ৩০০০ টাকা। অফ সিজনে দরদাম করলে কিছু কমানো যায়।
নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে
নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে দার্জিলিং শহরের দূরত্ব ৭৪ কিলোমিটার। সময় লাগে আড়াই ঘন্টা মতো। স্টেশনের সামনেই প্রচুর গাড়ি পাওয়া যায়। শেয়ার গাড়িতে ভাড়া পড়ে মাথা পিছু ২৫০ টাকা। একটি গাড়িতে ১০জনের বসার সিট্ থাকে। চাইলে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাড়তি সিট্ নিয়ে নিলে আরামে যাতায়াত করতে পারবেন।
যদি মনে করেন পুরো গাড়ি ভাড়া নেবেন সেক্ষেত্রে ছোট গাড়ি ২৫০০ টাকা এবং বড় গাড়ি ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত নিতে পারে। সব ক্ষেত্রেই দরদাম করে নেবেন।
টয় ট্রেনে
টয় ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে দার্জিলিং শহরের দূরত্ব ৮৮ কিলোমিটার। সময় লাগে ৭ ঘন্টা মতো। হিলকার্ট রোডের সমান্তরালে অসাধারণ সুন্দর একটি পথ দিয়ে টয় ট্রেন চলে। তবে হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকলে এই পথে না আসাই ভাল।
বর্তমান মহামারীর পরিস্থিতিতে টয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু জয়-রাইড অংশটি চালু আছে।
দার্জিলিংয়ে কোথায় থাকবেন
দার্জিলিংয়ে কোথায় থাকবেন সেটা একটু ভালো করে ভেবে নেবেন। যদি বাস স্ট্যান্ডের কাছে থাকতে চান তাহলে যেকোনো জায়গায় যাতায়াতের জন্য বাস ও শেয়ার গাড়ি পাবেন। এখান থেকে বাজারও খুব কাছে। তাছাড়া, এই এলাকায় সস্তায় খাবারের দোকান পাবেন। তবে ম্যালে যেতে পাহাড়ি রাস্তায় ১৫ মিনিট হাঁটতে হবে। সামান্য মূল্যে শেয়ার গাড়িও পাবেন ম্যালের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য।
আর যদি ম্যালের কাছে থাকতে চান সেক্ষেত্রে ম্যালে ঘোরাঘুরি করতে পারবেন খুব সহজেই। এই এলাকায় অনেক নামি -দামী হোটেল ও রেস্তোরাঁর পাশাপাশি কম দামের স্ট্রীট ফুডের দোকানও পাবেন। স্থানীয় মানুষজন আন্তরিকতার সাথে বানিয়ে দেবে গরম গরম মোমো থুকপা ইত্যাদি।
ম্যালের উপর কোনো যানবাহন চলাচল করেনা, সেক্ষেত্রে সামান্য দূরে নেহেরু রোডে নেমে মালপত্র নিয়ে আপনাকে হোটেলে আসতে হবে। হোটেল বুক করা থাকলে আগে থেকে ফোন করে দিলে হোটেল থেকে মালপত্র নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে দেয় অনেক হোটেল। সেক্ষেত্রে আগে থেকে কথা বলে নেবেন।
কম খরচে ভ্রমণ করতে চাইলে আগে থেকে হোটেল বুক করে রাখবেন না। হোটেল দেখে দরদাম করে তারপর হোটেল বুক করবেন। এর জন্য অফ সিজনে বেড়াতে গেলে বাড়তি সুবিধে পাবেন।
হোটেল
- Hotel Elite (At N C. Goenka Rd, Chauk Bazaar, 10 min from mall road), Contact: 086950 98938
- Classic Guesthouse (2 min from Mall), Contact: 9733430980/ 6295470674
- Hotel Chanakya (2 min from Mall, Budget Hotel), Contact: 9832073762/ 9832033139
- Hotel Sonar Bangla (5 min from Mall, Budget Hotel), Contact: 7407060480
- Singalila (budget hotel), Contact: 9831955464/7699738561. Tariff- 800 onwards
- Chalet Hotel (Just besides Mall), Contact: 7001441426 / 03542254027. Tariff- 1600 onwards
- Crown Villa (7/8 min from Mall), Contact: 7478572742. Tariff- 1200 onwards
- Shangri-La (2 min from Mall), Contact: 0354-2254149
- Wind Horse (5-7 min from Mall), Contact: 98331237611/ 03542251070. Tariff-1500-2000
- Himalayan Gateway Residency (5-7 min from Mall), Contact – 7872807197. Tariff- 1500 onwards
- Hotel Sonali (2 min from Mall), Contact: 7439181827/ 8240314716. Tariff- 1000 onwards
- Hotel Mount Royal (5-7 min from Mall), Contact: 8250709032/7076272639. Tariff- 1500-2000
হোমস্টে
হোমস্টে তে থাকলে আপনার চার বেলার খাবারের জন্য ভাবতে হবে না। দুপুরে ডিমের ঝোল ভাত, বিকেলে চায়ের সাথে পকোড়া, রাত্রে দেশি মুরগির ঝোল দিয়ে গরম গরম রুটি কিংবা ভাত আর সকাল বেলায় পুরি সব্জি অথবা আলু পরোটা দিয়ে অসাধারণ প্রাতরাশ।
- Blessings Homestay- Contact: 9749944040
- Nestle Homestay- Contact: 9434209954
- Komal Homestay- Contact: 7063553770/ 9002344213
- Himshikha Homestay- Contact: 9749518440
- Labanya Homestay – Contact- 9832044247/ 7430928094
দার্জিলিংয়ে কোথায় খাবেন
দার্জিলিংয়ে কোথায় কোথায় খাবেন দেখে নিন
Keventers :
দার্জিলিংয়ে খাবার কথা ভাবলেই সর্বপ্রথম যে নামটি মাথায় আসে সেটি হল কেভেন্টার্স।
অবস্থান: ম্যাল রোডের শুরুতেই।
পরিবেশ: এখানে ওপেন রুফটপ রেস্তোরাঁর পাশাপাশি ঢাকা ছাদের তলায় বসেও খেতে পারেন । আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে এখান থেকেই দার্জিলিং চা খেতে খেতে উপভোগ করতে পারবেন কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য।
কি পাওয়া যায়: কেভেন্টার্স বিভিন্ন রকমের সসেজ, সালামি, হ্যাম, দার্জিলিং-চা, বিভিন্ন ধরণের কফি, হট চকলেট ইত্যাদি পাওয়া যায়।
খরচ : আনুমানিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা (দুই জনের জন্য)
খোলার সময়: খোলা থাকে সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ পর্যন্ত। আসন সংখ্যা সীমিত তাই সকাল সকাল পৌঁছে যাবেন।
Glenary’s :
দার্জিলিংয়ে ব্রেকফাস্ট কিংবা সান্ধ্য জলখাবার খাওয়ার আরেকটি ঠিকানা হল গ্লেনারিজ।
অবস্থান: ম্যাল রোডের শেষের দিকে।
পরিবেশ: এখানে রেস্তোরাঁর ঢাকা ছাদের তলায় বসেও খেতে পারেন আবার পিছন দিকের বারান্দাতেও বসতে পারেন। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে এখান থেকেও উপভোগ করতে পারবেন কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য।
কি পাওয়া যায় ? নানান স্বাদের পেষ্ট্রি, কেক কুকিজের সম্ভার। এছাড়াও আছে সুস্বাদু (চিকেন,হ্যাম, ফিশ)বার্গার প্যাটিস। দোতলায় আছে বার যেখানে পাবেন বিভিন্ন রকম ড্রিংকস ।
খরচ : আনুমানিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা (দুই জনের জন্য)
খোলার সময়: খোলা থাকে সকাল ৬:৩০ টা থেকে সন্ধ্যে ৭:৩০ পর্যন্ত। ওপরে বার কাম রেস্তোরাঁ খোলা থাকে রাত ৯:৩০ টা পর্যন্ত।
Shangri-La
তিব্বতীয় বা চাইনিজ লাঞ্চ বা ডিনার করতে হলে আদর্শ রেস্তোরাঁ এই সানগ্রী-লা। এই হোটেলটি ব্রিটিশ আমলে তৈরী।
অবস্থান: ম্যাল রোডের কাছেই।
পরিবেশ: সাবেকিয়ানা ও আধুনিকতার মেলবন্ধন চোখ জুড়িয়ে দেয়। কাঠের আসবাবে সাজানো।
কি পাওয়া যায়: মোমো, থুকপা, রাইস, নুডলস প্রভৃতি তিব্বতীয় ও চাইনীজ ডিশ।
খরচ : আনুমানিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা (দুই জনের জন্য)
Kunga
অবস্থান: ম্যাল রোডে।
কি পাওয়া যায়: মোমো, থুকপা, রাইস, নুডলস প্রভৃতি তিব্বতীয় ও চাইনীজ ডিশ।
খরচ : আনুমানিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা (দুই জনের জন্য)
খোলার সময়: সকাল ১০:৩০ টা থেকে সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত।
Chanakya
দার্জিলিংয়ে বসে বাঙালী খাবার খেতে হলে অবশ্যই চলে আসুন চানক্য রেস্তোরাঁতে।
অবস্থান: ম্যাল রোডের শুরুর দিকেই।
কি পাওয়া যায়: বাঙালী খাবার।
খরচ : আনুমানিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা (দুই জনের জন্য)
খোলার সময়: সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত।
Mahakal Restaurant :
দার্জিলিংয়ে ম্যালের কাছে আরেকটি বাঙালী রেস্তোরাঁ মহাকাল রেস্তোরাঁ।
অবস্থান: ম্যাল রোডের শুরুর দিকেই।
কি পাওয়া যায়: বাঙালী খাবার।
খরচ : আনুমানিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা (দুই জনের জন্য)।
খোলার সময়: সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
- এছাড়া ম্যালের আশেপাশে স্থানীয় মানুষজন টেবিল পেতে ঘরে তৈরী মোমো, থুকপা, চাউমিন প্রভৃতি বিক্রি করেন।
- বাস স্ট্যান্ডের কাছেও প্রচুর ছোট ছোট খাবারের দোকান পাবেন। নেপালী থালি খেয়ে দেখতে পারেন।
- এখানে প্রচুর বেকারী দেখতে পাবেন। বিভিন্ন ধরণের কেক ও কুকিজ বিক্রী হয় সল্পমূল্যে। অবশ্যই খাবেন।
ভ্রমণ সংক্রান্ত ফটো, ভিডিও এবং তথ্যের জন্য আমার ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব ফলো করতে পারেন।
ইনস্টাগ্রাম eternaljourneystravelogue
ইউটিউব Debanjana Roy
পরবর্তী ব্লগ : ৩ দিনে দার্জিলিংয়ে কী কী দেখবেন
মহামারী ঠিক হলে একা অথবা সপরিবারে ঘুরে আসুন দার্জিলিং। আমার ব্লগ আপনাদের কেমন লাগল জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের কোনও সাজেশন থাকলে জানাতে দ্বিধা করবেন না।
আমি দেবাঞ্জনা রায়- যমজ সন্তানের মা। আমি ঘুরে বেড়াতে, বই পড়তে এবং সাঁতার কাটতে খুব ভালোবাসি। আর ভালোবাসি নিজের অভিজ্ঞতা লিখে রাখতে। এখানে আমার দুই সন্তানকে বড় করে তোলার নানান অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেব আপনাদের সাথে। পড়ুন টুইন বেবি জার্নাল
Discover more from Debanjana Roy-Motherhood Journey
Subscribe to get the latest posts sent to your email.







দিদি, দার্জিলিং-এ সবথেকে কম খরচে থাকা – খাওয়া দিন (২৪ ঘন্টা) কত পড়বে জানাবেন প্লিজ!